শুভ কল্পতরু দিবস ২০২৬ উদযাপন : ভক্তদের পদচারণায় মুখরিত চৌধুরীহাট সংলগ্ন রামকৃষ্ণ মিশন
পূজাপার্বণ ডেস্ক
কল্পতরু দিবস উপলক্ষে ২০২৬ সালে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে এ পবিত্র দিন। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, এই দিনে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব মা কালীকে দর্শন লাভ করেন। সেই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে কেন্দ্র করেই প্রতি বছর কল্পতরু দিবস গভীর শ্রদ্ধা ও ভক্তিভরে পালিত হয়ে থাকে।
এ উপলক্ষে চৌধুরীহাট সংলগ্ন রামকৃষ্ণ মিশনে আয়োজন করা হয় বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের। সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত হাজারো ভক্তের উপস্থিতিতে মিশন প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও মুখর। ভক্তরা শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের আদর্শ ও বাণীতে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রার্থনা ও ধ্যান-জপে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানসূচির অংশ হিসেবে দিনব্যাপী কীর্তানুষ্ঠান, ভজন ও ধর্মীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ভক্তদের জন্য আনন্দবাজারে অন্নপ্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই অংশগ্রহণ করেন। ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ গ্রহণের মধ্য দিয়ে এক অনন্য সম্প্রীতি ও মানবিক বন্ধনের চিত্র ফুটে ওঠে।
রামকৃষ্ণ মিশনের আয়োজকরা জানান, কল্পতরু দিবস মানুষের অন্তরে ভক্তি, ত্যাগ ও মানবসেবার চেতনা জাগ্রত করে। এই দিবসের মূল শিক্ষা হলো—মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করা এবং সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকা।
সার্বিকভাবে, কল্পতরু দিবস ২০২৬ উপলক্ষে চৌধুরীহাট সংলগ্ন রামকৃষ্ণ মিশনে আয়োজিত অনুষ্ঠান ভক্তদের জন্য এক গভীর আধ্যাত্মিক অনুভূতির সৃষ্টি করে এবং দিনটি হয়ে ওঠে স্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ।
সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত হাজারো ভক্তের উপস্থিতিতে রামকৃষ্ণ মিশন প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে উৎসবমুখর। ভক্তরা প্রার্থনা, ধ্যান ও জপে অংশগ্রহণ করেন। এ উপলক্ষে কীর্তানুষ্ঠান ও ভজনের আয়োজন করা হয়, যা ভক্তদের মধ্যে গভীর আধ্যাত্মিক আবেশ সৃষ্টি করে।
অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে আনন্দবাজারে অন্নপ্রসাদ বিতরণ করা হয়। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের অংশগ্রহণে প্রসাদ গ্রহণের মধ্য দিয়ে সাম্য ও মানবিক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত দেখা যায়।



%20.png)
No comments: